Trending

Walton Primo HM4 Hands on Review

Jan 7 • রিভিউ, স্মার্টফোন • 35 Views • No Comments on Walton Primo HM4 Hands on Review

একটু সময় নিয়েই লো বাজেটের বেশ ভালো কিছু স্মার্টফোন বাজারে আনছে ওয়ালটন। ওয়ালটনের এইচএম সিরিজের প্রতিটি স্মার্টফোনই তাদের বিগ ব্যাটারির জন্য মোটমুটি ভালোই নাম পেয়েছিল। এবার অনেকটা সময় পরই এইচএম সিরিজের নতুন স্মার্টফোন এইচএম ৪ বাজারে আনল ওয়ালটন। স্মার্টফোনটি থাকছে ৩৮০০ মিলি আম্পের বিগ ব্যাটারি। ওয়েল শুধু ব্যাটারি নয়, এই সিরিজের সো ফার বেস্ট বিল্ড কোয়ালিটির স্মার্টফোন মনে হয়েছে আমার কাছে এটি। সম্পূর্ণ রিভিউটি দেখতে আমাদের সাথেই থাকুন।

ডিসপ্লে ৬ ইঞ্চি ফুলএইচডি  আইপিএস ডিসপ্লে; ১৯২০X১০৮০ রেজ্যুলেশন
অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ৭ নোগাট
প্রসেসর ২.৫ গিগাহার্জ অকটা কোর প্রসেসর
র‌্যাম ৪ জিবি
ইন্টারনাল স্টোরেজ/ রোম ৬৪ জিবি
জিপিউ মালি ৮৮০
মেমোরী কার্ড স্লট আছে, সর্বোচ্চ ২৫৬ জিবি পর্যন্ত
রিয়ার ক্যামেরা ১৩ মেগাপিক্সেল + ৫ মেগাপিক্সেল
ফ্রন্ট ক্যামেরা ২০ মেগাপিক্সেল
সিম সাপোর্ট ১ মাইক্রো সিম + ১ ন্যানো সিম
ব্যাটারী ৪৫৫০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারী
মূল্য ৩৩,৯৯০ টাকা

এর আনবক্সিং ভিডিও আমরা আগেই পাবলিশ করেছি, যারা দেখনি, নিচের ডেসক্রিপশন বক্সে লিংক দেওয়া আছে, দেখে নিতে পারেন।
শুরুতেই বিল্ড কোয়ালিটির কথা বলছিলাম। সলিড মেটাল বিল্ড স্মার্টফোন এটি। ৫.৫ ইঞ্চির বিগ ডিসপ্লে থাকায় দেখতেও বেশ বড়, I won’t say এক হাতে ভালোভাবেই ব্যবহার করতে পারবেন। একটু বেগ পেতে হবে। বাট লো বাজেটে বিগ ডিসপ্লে পাওয়া really a plus.
এর সলিড মেটাল বিল্ড এসট্রাকচার স্মার্টফোনটিকে প্রিমিয়াম লুক দিয়েছে। আর ফ্রন্টে ২.৫ ডি কার্ভড গ্লাস থাকায় দেখতেও দারুণ। রেয়ার প্যানেলের টপ এবং বোটম প্যানেলটি প্লাসটিকের বাট ক্যামেরা পরসনটি কিছুটা আপলিফট করা হয়েছে। আলাদা পরসনে থাকায় দেখতেও ইউনিক লাগে।
লো বাজেট স্মার্টফোন হওয়া সত্ত্বেও থাকছে ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর।
স্মার্টফোনটি সম্পূর্ণটায় শিল্ড। ৩৮০০ মিলি আম্পিয়ারের শিল্ড নন রিমুভেবল ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে স্মার্টফোনটিতে।
ফ্রন্ট প্যানেলে থাকছে নোটিফিকেশন লাইট, ফ্রন্ট ক্যামেরা, স্পিকার এবং ফ্রন্ট এলইডি ফ্ল্যাশ। বোটমে কাপাসিটিভ টাচ কী থাকছে বাট as usual কোন ব্যাক লাইট নেই।
বিগ ব্যাটারি থাকা সর্তেও স্মার্টফোনটি আমার কাছে খুব একটা ভারী মনে হয়নি।
এবার একটু সিস্টেমের বাইরে যেই রাইট প্যানেলে হাই ব্রিড সিম অ্যান্ড এসডি কার্ড স্লট রাখা হয়েছে। দুইটি ন্যানো সিমের পাশাপাশি এক সাথে এসডি কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
আর রাইট প্যানেলে পাওয়ার বাটন ও ভলিউম রকার রাখা হয়েছে।
টপ প্যানেলে থাকছে ইউএসবি পোর্ট, অডিও জ্যাকপোর্ট ও সেকেন্ডারি মাইক্রোফোন। আর বোটম প্যানেলে স্পিকার গ্রিল ও প্রাইমারি মাইক্রোফোন থাকছে। স্পিকার গ্রিলটি ওয়েল ডিজাইন। Definitely এর বিল্ড কোয়ালিটিতে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে।
অ্যান্ডয়েড ৭ নোগাঁট বেস্ড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে স্মার্টফোনটিতে। ইউআইটি একেবারেই ষ্টক শুধু মাত্র কিছু আইকন গুলোকে কাস্টমাইজড করা হয়েছে। ওভারঅল ইউআইটি আমার কাছে কিছুটা লাগি মনে হয়েছে। অ্যাপস রেস্পন্ড টাইম স্লও ছিল। ডিভাইসটি আমাচার ইউজারদের জন্য টিক হলেও রাফ অ্যান্ড টাফ ইউজারদের জন্য নয়। তাছাড়া ইউআই নিয়ে আর বেশী কিছু বলার নেই। বাট আমার মতে ইউআই এর লাগি এক্সপেরিয়েঞ্চ ইউজাররা কিছুটা হলেও মানিয়ে নেবে এর ৫.৫ ইঞ্চি ডিসপ্লের জন্য। ৭,৮৯০ টাকায় এমন ডিসপ্লে পাওয়া কিছুটা অবাক করার মতই। ডিসপ্লে হিসাবে স্মার্টফোনটিতে ৫.৫ ইঞ্চি আইপিএস ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। ১২৮০*৭২০ পিক্সেল ডিসপ্লের ডিভাইসটির পিপিআই ২৬৭। মোটমুটি একুরেট কালার রিপেজেন্ট করে। নো ডাউট মাল্টিমিডিয়া এক্সপেরিয়েঞ্ছ দারুণ ভাবেই এঞ্জয় করবেন।
ওয়েল, স্মার্টফোনটিকে ব্যাকআপ দিচ্ছে ১.৩ গিগাহার্জ কোয়াড কোর প্রসেসর। আর জিপিইউ থাকছে মালি ৪০০
টোটাল রাম ১ জিবি। আর রোম হিসাবে পাচ্ছেন ৮ জিবি স্টোরেজ। একটা প্লাস পয়েন্ট হলে এসডি কার্ড ব্যবহার করে ৬৪ জিবি পর্যন্ত মেমোরি এক্সপান্ড করতে পারবেন।
লো ইন্ড চিপসেট আর কম রামের কারণে এই স্মার্টফোনটিতে এইচডি মোটেও ভালো রান করবে না বাট নর্মাল অ্যান্ডয়েড গেম গুলো ভালো ভাবেই খেলতে পারবেন।
এই বাজেটের স্মার্টফোনে ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সর দিয়ে একটু অবাকই করেছে ওয়ালটন। বাট ফিঙ্গার প্রিন্ট সেন্সরটি অনেকটা স্লো মনে হয়েছে আমার কাছে। I mean, রেসপন্স টাইম একটু স্লো ছিল।
ওয়েল, এই স্মার্টফোনটির ফ্রন্ট এবং রেয়ারে বিএসআই ৮ মেগা পিক্সেল ক্যামেরা ব্যবহার করেছে। বিএসআই সেন্সর থাকায় লো লাইটে কিছুটা বেনিফিট পাবেন। ক্যামেরা ইউআইটি একেবারেই কাস্টমাইজড। বাট ফোকাসিং স্পীড কিছুটা স্লো হলেও কাপচার স্পীড অনেক স্লো। ক্যামেরার পিচকার কোয়ালিটি বাজেট অনুযায়ী ভালোই ছিল। বাট স্লো শাটার স্পীডের কারণে মাঝে মাঝে সেকি পিচকার কাপচার করে ফেলে।
কিছু প্রিফেক্স মুড রয়েছে। প্রোফেসনাল ক্যামেরা মুড থাকা রেলি প্লাস। প্রোফেসনাল ক্যামেরা মুডে সামান্য কিছু টুইক করে ভালো ছবি তুলতে পারবেন।
তাছাড়া ক্যামেরা সেটিংসে অনেকটা অরগানাইজ আর কাস্টমাইজ করা হয়েছে।
ফ্রন্ট ক্যামেরাটি ভালোই ফেস ডিটেক্ট করে সক্ষম। সেলফি কোয়ালিটি নিয়ে আমার কোন কম্লেইন নেই। আর ফেস বিউটি মুড তো থাকছেই।
ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবি গুলো মোটামুটি ভালোই ছিল। শার্পনেস আর ডিটেলস কনন্সিডারেবল। ক্যামেরাটি দিয়ে তোলা আমাদের ছবি গুলো দেখে নিতে পারেন।
এবার আসছি এইচএম সিরিজের স্মার্টফোন গুলোর মেইন ফিচারে। I guess যারা এই সিরিজের আগের স্মার্টফোন গুলো ফলো করতেন জানেন স্মার্টফোন গুলো পাওয়ার ব্যাংক হিসাবে ব্যবহার করা যাই। এই স্মার্টফোনটির ক্ষেত্রেও ওয়ালটন সেম ধারাকেও অব্যাহত রেখেছে।
ওয়েল স্মার্টফোনটি ওটিজি সাপোর্টেড। সুতারং সব ইউএসবি পেরিফেরাল গুলো ব্যবহার করতে পারবেন। আর ওটিএ তো থাকছেই।
এর ৩৮০০ মিলি আম্পিয়ারের ব্যাটারি ৬ ঘণ্টা স্ক্রীন অন টাইম দিবে। আর নির্দ্বিধাই ১ থেকে দের দিন ব্যবহার করতে পারবেন।
৭,৮৯০ টাকাই স্মার্টফোন আমার কাছে ভালো লেগেছে। অবশ্যই টার্গেট কাস্তমারদের কথা মাথাই রেখেই স্মার্টফোন বাজারে আনা হয়েছে। যার এই বাজেটে স্মার্টফোন কেনার কথা চিন্তা করছেন তাদের জন্য ভালো একটি চয়েজ হতে পারে।
I guess আমাদের রিভিউটি আমাদের ভালো লেগেছে। এমন আরও রিভিউ পেতে আমাদের চ্যানেলটি সাবক্রাইব করে রাখতে পারেন। আজ এই পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

« »